সম্প্রতি সিটি ব্যাংকের হেড অফিসে এক ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার সুযোগ হয়েছিল। ব্যাংকের তিনজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা—হেড অফ গ্রিভান্স, হেড অফ কাস্টমার সার্ভিস, এবং হেড অফ সার্ভিস কোয়ালিটি—আমার সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে এক গঠনমূলক ও উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।
তবে এখানে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে নয়, আমি এখানে উপস্থিত হয়েছিলাম একজন গ্রাহক হিসেবে। একজন সাধারণ গ্রাহক হিসেবে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি ব্যাংকের এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধানদের কাছ থেকে এমন আন্তরিক সময় ও আতিথেয়তা পাওয়া সত্যিই এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আলোচনার সময় গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি যে সিটি ব্যাংক গ্রাহকসেবা ও সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও আন্তরিক। হাজারো গ্রাহকের একটি বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে মাঝে মাঝে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক, তবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত ও কার্যকর সমাধানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে।
আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো, কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু প্রকাশ করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো এবং সমাধানের সুযোগ দেওয়া উচিত। যদি তারা সন্তোষজনক সমাধান দিতে ব্যর্থ হন, তখন অবশ্যই গ্রাহক হিসেবে আমাদের মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।
এই আলোচনার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়েছে যে সিটি ব্যাংকের প্রকৃত শক্তি তাদের আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব, এবং সার্ভিস ইমপ্রুভমেন্টে অবিচল অঙ্গীকার।
কিছু বিচ্ছিন্ন ক্ষেত্রে মানবিক ভুল বা আচরণগত ত্রুটি ঘটতে পারে, কিন্তু সামগ্রিকভাবে ব্যাংকটি তাদের সেবার মান উন্নয়নে সত্যিকারের আগ্রহ নিয়ে কাজ করছে।
আমাদের মতো গ্রাহকরাই একটি প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় পরামর্শক ও সহযোগী। তাই ইতিবাচক মনোভাব ও পারস্পরিক সহায়তার মাধ্যমে দেশের এই শক্তিশালী স্থানীয় ব্যাংকটির সেবা উন্নয়নের অংশীদার হওয়াই আমাদের সবার দায়িত্ব ও গর্বের বিষয় হওয়া উচিত।
